কত বয়সে দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে

কত বয়সে দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে – বিষয় নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক সিরিজের অংশ। শিশু  ভূমিষ্ঠকালীন ব্যক্তির প্রাথমিক রূপ। যে এখনও যৌবনপ্রাপ্ত হয় নাই কিংবা বয়ঃসন্ধিক্ষণে প্রবেশ করেনি সে শিশু হিসেবে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রে চিহ্নিত হয়ে আছে।

কত বয়সে দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

কত বয়সে দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা 

 

সচরাচর যে ছেলে বা মেয়ের বয়স ১৮ বছরের নিচে অবস্থান করছে সে শিশু হিসেবে চিহ্নিত। কখনো কখনো অনাগত সন্তান অর্থাৎ যে সন্তান এখনো ভূমিষ্ঠ হয় নাই বা মায়ের গর্ভে অবস্থান করছে সেও শিশুরূপে পরিগণিত হয়ে থাকে। একজন ব্যক্তি তার পিতা-মাতার কাছে সবসময়ই সন্তান বা শিশু হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকেন। তবে, নির্দিষ্ট সময়, স্থান অথবা ঘটনার প্রেক্ষিতে শিশুসুলভ আচরণ বা ষাট বছরের শিশু শব্দগুচ্ছেরও প্রয়োগ হয়ে থাকে।জীববিজ্ঞানের ভাষায় – মনুষ্য সন্তানের জন্ম এবং বয়ঃসন্ধির মধ্যবর্তী পর্যায়ের রূপ হচ্ছে শিশু। চিকিৎসাশাস্ত্রের সংজ্ঞানুযায়ী মায়ের মাতৃগর্ভে ভ্রুণ আকারে অ-ভূমিষ্ঠ সন্তানই শিশু।

 

একটি শিশু ঠিক কখন অন্যান্য খাবার খেতে শুরু করবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই । প্রতিটি মা এবং প্রতিটি শিশুই ভিন্ন । অধিকাংশ মায়েরই শিশুকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু দুধ খাওয়ানোর জন্য স্তনে প্রচুর পরিমাণ দুধ থাকে । কারো কারো নয় বা দশ মাস পর্যন্ত প্রচুর দুধ থাকে । তবে কোনো কোনো শিশুর চার-পাঁচ মাস বয়স থেকেই মায়ের দুধে আর হয় না ।

 

কত বয়সে দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা 

 

ছয় মাস বয়সে শিশুর ওজন হয় জন্মকালীন ওজনের প্রায় দ্বিগুণ, এক বছর বয়সে প্রায় তিনগুণ । ফলে তার শারীরিক বৃদ্ধি অনুপাতে খাবারের চাহিদা বেড়ে যায় । দুধে যে পরিমাণ আমিষ, স্নেহ, শর্করা ও অন্যান্য উপাদান রয়েছে ছয় মাস বয়সের পর তা চাহিদার তুলনায় অনেক কমে যায়, তাই শিশুকে এ সময়ে দুধের সঙ্গে অন্য খাবারও দিতে হবে ।

Leave a Comment