নিউরটিসিজিম চেক আপ লিস্ট আমরা আমাদের সংগ্রহে রাখবো। এটি বয়ঃসন্ধির সময় খুব গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। আসুন দেখে নেই তালিকাটি।
শিশুর নিউরটিসিজিম চেক আপ লিস্ট

১. তুমি কি সাধারণত সুস্থ ও সবল বোধ করো ?
২. তুমি কি সাধারণত ভালো ঘুমোও ?
৩. মাঝরাতে কি ভয়ে তোমার ঘুম ভেঙ্গে যায় ?
8. কাজের কথা ভেবে কি তোমার স্বপ্নে ঝামেলা হয় ?
৫. তুমি কি ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখো?
৬. মাঝে মাঝেই কি তুমি যৌন স্বপ্ন দেখো?
৭. ঘুমের মধ্যে কি তুমি চলে ফিরে বেড়াও?
৮. শুয়ে পড়ার পরে কখনও কি পড়ে যাচ্ছো এমন মনে হয় ?
৯. কখনও কি কান দপ্ দপ্ করে বলে তুমি ঘুমুতে পারো না?
১০. মাথার মধ্যে নানান আইডিয়া ঘুরে বেড়ায় বলে ঘুমুতে পারো না ?
১১. সকালে ঘুম থেকে উঠে কি মনে হয় বেশ ভাল ঘুম হয়েছে?
১২. চোখে কি মাঝে মাঝেই ব্যাথা হয়?
১৩. মনে হয় কি যে জিনিসপত্র যেন ভাসছে, আবছা আবছা দেখাচ্ছে?
১৪. মাঝে মাঝে কি মনে হয় যে যেন দম বন্ধ হয়ে আসছে?
১৫. তোমার মুখমণ্ডল কি মাঝে মাঝেই চুলকোয় ?
১৬. লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায়? বিড়ম্বিত বোধ করলে?
১৭. মাঝে মাঝেই কি হৃদপিণ্ডে দপদপানি টের পাও ?
১৮. বেশির ভাগ সময়েই কি ক্লান্ত মনে হয় ?
১৯. কখনও অজ্ঞান হয়ে গেছো? মাথা ঘোরা টের পেয়েছো?
২০. শরীরে কোনো অস্বস্তি বা অসুখকর অনুভব টের পাও?
২১. মাথার মধ্যে বা বাইরে ভীষণ চাপ বা বেদনা বোধ হয় ?
২২. মাঝে মাঝেই শরীরের কোথাও বাজে ব্যথা টের পাও ?
২৩. মাথা ধরায় মাঝে মাঝে কি কষ্ট পাও ?
২৪. মাথা ধরলেই কি একপাশটা ধরে ?
২৫. কখনও কি অজ্ঞান হয়ে পড়েছো? কোথায়ও
২৬. মাঝে মাঝেই কি অজ্ঞান হয়ে পড়ো?
২৭. কখনও হঠাৎ শুনতে / দেখতে / কথা বলতে পারছো না – এমন হয়?
২৮. হাত বা পা কখনও অবশ হয়ে পড়েছে?
২৯. কখনও কি অল্পক্ষণের জন্যে স্মৃতি হারিয়ে গেছে এমন হয়েছে?
৩০. তোমার শৈশবকালটি কি বেশ আনন্দে কেটেছে ?
৩১. ১৪-১৮ বছর বয়সেটা কি বেশ আনন্দে কেটেছে?
৩২. ছোটবেলায় তোমাকে কি বাজে ছেলে বলতো ?
৩৩. ছোটবেলায় একা একা খেলার চাইতে অনেকের সঙ্গে খেলতে ভালবাসতে ?
৩৪. অন্য ছেলেরা তোমাকে নিয়ে খেলতে চাইতো?
৩৫. অন্য ছেলেদের সঙ্গে মিশতে কি তোমার লজ্জা করতো?
৩৬. কখনও কি তুমি ঘর ছেড়ে একা একা পালিয়ে গেছো?
বয়ঃসন্ধির কালথেকে প্রথম যৌবন পর্যন্ত প্রযোজ্য। হাঁ এবং নো উত্তর গুলি নিউরটিক অবস্থানের সূচক; হ্যাঁ এবং না গুলি স্বাভাবিকতার সূচক। % হার নিশ্চয় করে ইতিকর্তব্য স্থির করবেন। সন্তানকে ব্যাখ্যাটি না জানিয়ে পরিসংখ্যানটি নেবেন । হ্যাঁ অভিভাবকদের বিচার বিবেচনার জন্যে কয়েকটি বিষয় এখানে তুলে দেওয়া যাক : সন্তানরা উজ্জ্বল মেধা অথবা সাধারণ মানের হতে পারে, স্টুডিয়াস (পড়াশুনোয় একাগ্র) অথবা ননস্টুডিয়াস (অনাগ্রহী) হতে পারে এবং অ্যাথলেটিক (ক্রীড়ামোদী) বা নন- অ্যাথলেটিক হতে পারে। ফলে—

অভিভাবকদের বিচারের বিষয় : তারা সন্তানদের মধ্যে কী কী গুণ থাকলে কোন কোন পর্যায় বা স্থানাংকে তাদের দেখবেন। পাশাপাশি সন্তানরা বন্ধুবান্ধবদের মূল্যায়নে কোন অবস্থানে থাকছে। একটা টানাপোড়েন — টেনশন— তৈরি হতেই পারে। সুবিবেচনার প্রয়োজন আছে।
- বিশেষ করে সন্তানদের মন মানসিকতার এই খতিয়ানটা দেখে নিলে প্রয়োজনটা বোঝা যাবে :
- সন্তানরা পাঠ্যবিষয়ে একঘেঁয়ে বোধে আক্রান্ত হতে পারে,
- সন্তানদের পাঠ-অভ্যস্ততা এলোমেলো হয়ে গড়ে উঠতে পারে,
- অনেকের মধ্যে আবেগ-অনুভবের উথাল-পাথাল থাকতে পারে,
- অনেকে, নানা কারণেই, পড়াশুনো ব্যাপারটাকেই অর্থহীন বলে মনে করতে পারে, অনেকে যোগ্যতা ক্ষমতা অনুযায়ী ফল পেতে চায় না কারণ বন্ধুরা ‘ভাল’ বলে এড়িয়ে যায়, উঁচু শ্রেণীতে অনেকে ইচ্ছে করেই কম নম্বর পেতে চায়— বন্ধুত্বের খাতিরে, পপুলারিটি হারানোর ভয়ে।
এবং দেখে নিতে হবে যে অক্রীড়ামনস্ক (নন-অ্যাথলেটিক্স)-দের তুলনায় ক্রীড়ামোদীদের প্রতি স্বদলগোষ্ঠীতে স্থানাংক মূল্যায়ন স্বভাবতই বেশি থাকছে। সমগ্র বিষয়টি সবিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে প্রণিধান করা এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ করার দরকার আছে। বিরোধিতা–অভিভাবক মনের চাহিদার সঙ্গে সন্তান মনের প্রবণতার— এড়িয়ে না যেতে পারলে উভয়ের পক্ষেই বিষময় ফল অনিবার্য।
