শিশুকে ডাল শাকসবজি বা অন্যান্য খাবার খাওয়ানো – নিয়ে আজকের আলোচনা। নবজাতকের ডাল শাকসবজি বা অন্যান্য খাবার খাওয়ানো বিষয়টি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক একটি গুরুত্বপুর্ন পাঠ।
শিশুকে ডাল শাকসবজি বা অন্যান্য খাবার খাওয়ানো

জন্মের পরই নবজাতকের প্রথম ভাষা বা ধ্বনি হলো ‘কান্না’ । কান্নার মাধ্যমেই সে সকলকে জানান দেয় তার আগমনবার্তা । আর কান্নার সঙ্গে সঙ্গে তার ফুসফুসে প্রথমবারের মতো বাতাস ঢোকে এবং ফুসফুস হয় সক্রিয় ।
মাতৃগর্ভে থাকাকালীন শিশুর ফুসফুস তৈরি হলেও তখন সেটি থাকে নিষ্ক্রিয় । কারণ মাতৃগর্ভে সন্তানের ফুসফুসে বাতাস ঢোকে না বা ঢুকতে পারে না । জন্মের পর কান্নার সঙ্গে সঙ্গেই বাতাস ফুসফুসে ঢোকে এবং সেখানে শরীরের রক্তে অক্সিজেন যুক্ত হয় । একইসঙ্গে রক্ত থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে চলে আসে । জন্মের পরপরই কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস প্রবেশ না করলে শিশুর শরীরে ধীরে ধীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে । নবজাতকের গায়ের রং নীল বর্ণ ধারণ করে । তখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে শিশুর মারাত্মক পরিণতি হতে পারে ।
→ মসুরির ডালে প্রচুর আমিষ ও স্নেহ আছে। ছয়-সাত মাস বয়স হতেই শিশুকে সুপের মতো ডাল খাওয়ানো যায় । তবে মনে রাখতে হবে ডাল অর্থ ডালই, ডালের পানি নয় ।
→ যে শিশু মায়ের দুধ খায় ছয় মাস বয়স পুরো না হওয়া পর্যন্ত তাকে অন্য খাবার দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ সময় মায়ের দুধে শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে আমিষ, স্নেহ আছে ।
→ শিশুকে শাকপাতা দিতে চাইলে ভালোভাবে সেদ্ধ করে শিল-নোড়ায় পিষে পেস্টের মতো করে অল্প অল্প করে চামচ দিয়ে দেওয়া যেতে পারে ।
→ সাত-আট মাস বয়সে শিশুর দাঁত ওঠে। এ সময় দাঁতের মাড়ি শিরশির করে তাই শিশু যা পায়, তাই মুখে দেয়। এ সময় মুরগির রান মাংস ছাড়িয়ে নিয়ে চিবোবার জন্য শিশুর হাতে দেওয়া যায় ।

