শিশুকে মাছ বা মাংস খাওয়ানো

শিশুকে মাছ বা মাংস খাওয়ানো – নিয়ে আজকের আলোচনা। শিশুকে মাছ বা মাংস খাওয়ানো বিষয়টি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক একটি গুরুত্বপুর্ন পাঠ।

শিশুকে মাছ বা মাংস খাওয়ানো

 

শিশুকে মাছ বা মাংস খাওয়ানো | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা  

ছয়-সাত মাস বয়সের শিশুকে মাছ বা মাংস দেওয়া যেতে পারে। তৈলাক্ত মাছ শিশুকে না দেওয়া ভালো । শিং, কই, মাগুর, রুই বা অন্য যে-কোনো তেলবিহীন ছোটো মাছ শিশুকে দেওয়া যেতে পারে । মাংসের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য । অর্থাৎ তৈলাক্ত মাংস তাকে না দেওয়া ভালো । শিশুর জন্য মুরগির মাংস সবচেয়ে ভালো ।

→ছয় মাস বয়সে শিশুর দাঁত থাকে না । তাই মাছ বা মাংস অনেকক্ষণ ধরে সিদ্ধ করে নরম করতে হয় । পরে শিল-নোড়া বা এ জাতীয় অন্য কিছুতে ভালো করে পিষে তা আবার ফুটিয়ে সুপের সঙ্গে মিশিয়ে শিশুকে দিতে হবে যা সে না চিবিয়ে সহজেই গিলে খেতে পারে । অনেকে না পিষে গ্রাইন্ডার (Grinder) দিয়ে গুঁড়ো করে তা সুপের সঙ্গে মেশাতে বলে থাকেন । সুপের ঘনত্ব এমন করতে হবে যেন তা সহজেই চামচ দিয়ে বা বড়ো ছিদ্রযুক্ত নিপ্‌লওয়ালা বোতলের মাধ্যমে খাওয়ানো যায় ।

 

→ সবজির সুপ তৈরির সময় বিভিন্ন সবজি যেমন— গাজর, মিষ্টিকুমড়ো, পেঁপে, কাঁচকলা ইত্যাদি ছোটো ছোটো টুকরো করে অনেকক্ষণ ধরে সিদ্ধ করে হাত দিয়ে তা চটকে মোলায়েম করে চামচ দিয়ে খাওয়াতে হবে। মনে রাখতে হবে সুপ অর্থ সুপের পানি নয়, সুপে দেওয়া মাছ, মাংস ও সেইসঙ্গে সবজি খাওয়ানো এবং তার সঙ্গে পানিটা ফেলে না দিয়ে তাও খাওয়াতে হবে । শুধু সুপের পানি দিলে তা শিশুর তেমন উপকারে আসবে না এবং ঠিকমতো পুষ্টিও হবে না ।

 

শিশুকে মাছ বা মাংস খাওয়ানো | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা  

 

→ ছয়-সাত মাস বয়সের পর শিশুকে কলিজা খাওয়ানো শুরু করা যায়। কলিজা অত্যন্ত উপকারী । ভালোভাবে সিদ্ধ করে মাছ বা মাংসের মতোই পিষে কলিজা খাওয়ানো যায় ।

Leave a Comment