শিশুর জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়স

শিশুর জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়স – বিষটি নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” সিরিজের অংশ। জন্মের পর নবজাতকের শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করে, তাকে মায়ের কাছে (মায়ের প্রসব কষ্ট কাটিয়ে ওঠার পর) দেওয়া উচিত। মায়ের স্পর্শে শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটে, মায়ের ত্বকের সংস্পর্শে মা ও শিশুর মধ্যে নিবিড়তা গড়ে ওঠে । তাই প্রত্যেক মায়ের উচিত নবজাত শিশুর পরিচর্যা নিজের হাতে করা । এতে করে মায়ের নিজের ওপর আস্থা বাড়ে এবং মা ও শিশুর সম্পর্ক প্রগাঢ় হয় । এতে পরনির্ভরতা কমে । 

জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়স | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়সে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

নবজাত শিশুকে বাইরের লোকের সংস্পর্শে যত কম আনা যায়, ততই তার পক্ষে ভালো।  যে শিশুর ওজন ৪ পাউন্ড বা তারও কম হয়, তাকে তাপ নিয়ন্ত্রণ বাক্সে (ইনকিউবেটর) রাখার প্রয়োজন হয়। কেননা কম ওজনের শিশুর তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকে । বাইরে থেকে ঘুরে আসা জামাকাপড়ে কখনোই শিশুকে কোলে নেওয়া, দুধ খাওয়ানো বা আদর করা উচিত নয় । শিশুর পরিচর্যার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেমন— গোসলের পাত্র, সাবান, তোয়ালে ইত্যাদি আলাদা থাকা প্রয়োজন ।

 

১।  শিশুর হাত ধরে টানলে উঠে বসে এবং এভাবে বেশ কিছুক্ষণ থাকতে পারে । 

২। উপুড় করে শোয়ায়ে দিলে দুহাতে ভর করে মাথা-শরীর উঁচু রাখে ।

৩। এ বয়সে আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে চায় ।

৪। কাপড় দিয়ে মাথা ঢেকে দিলে হাত দিয়ে তা সরিয়ে দেয় । পরিচিত এবং অপরিচিতদের সহজেই আলাদা করে চিনতে পারে ।

 

জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়সে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

৫।  কোনোকিছু ধরার জন্য দুহাত বাড়িয়ে দেয় এবং হাতের কাছে এলে তা ধরতে চেষ্টা করে । খেলনা হাতে দিলে খেলতে গিয়ে শব্দ করে ।

৬। আশেপাশে কোনোকিছুর শব্দ হলে তার উৎস খোঁজে।

Leave a Comment