শিশুর জন্মের পর প্রথম ৩ মাস বয়স – বিষটি নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” সিরিজের অংশ। আপনার শিশুকে বাড়িতে নিয়ে আসা আনন্দময় ঘটনা। তবে হাসপাতাল বা প্রসব কেন্দ্রে যেসব সুবিধাদি পাওয়া যায় তা বাসাতে পাওয়া যায় না৷ এগুলোর বিকল্প ব্যবস্থা একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
জন্মের পর প্রথম ৩ মাস বয়স | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

জন্মের পরই নবজাতকের প্রথম ভাষা বা ধ্বনি হলো ‘কান্না’ । কান্নার মাধ্যমেই সে সকলকে জানান দেয় তার আগমনবার্তা । আর কান্নার সঙ্গে সঙ্গে তার ফুসফুসে প্রথমবারের মতো বাতাস ঢোকে এবং ফুসফুস হয় সক্রিয় । মাতৃগর্ভে থাকাকালীন শিশুর ফুসফুস তৈরি হলেও তখন সেটি থাকে নিষ্ক্রিয় ।
কারণ মাতৃগর্ভে সন্তানের ফুসফুসে বাতাস ঢোকে না বা ঢুকতে পারে না । জন্মের পর কান্নার সঙ্গে সঙ্গেই বাতাস ফুসফুসে ঢোকে এবং সেখানে শরীরের রক্তে অক্সিজেন যুক্ত হয় । একইসঙ্গে রক্ত থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে চলে আসে । জন্মের পরপরই কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস প্রবেশ না করলে শিশুর শরীরে ধীরে ধীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে । নবজাতকের গায়ের রং নীল বর্ণ ধারণ করে । তখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে শিশুর মারাত্মক পরিণতি হতে পারে ।
১। শিশুর হাতে কোনো জিনিস দিলে তা শব্দ করে ধরে এবং তা নেড়ে শব্দ করার চেষ্টা করে ।দুই বগলের নিচে ধরে সোজা করে রাখলে মাথা শক্ত করে উঁচু করে রাখে।
২। উপুড় করে শোয়ালে দুহাতের উপর ভর করে মাথা তুলে থাকতে পারে ।

৩। কারো উপস্থিতিতে বা সংস্পর্শে হাত-পা নেড়ে আনন্দ প্রকাশ করে ।
৪। কোনোকিছুর শব্দ হলে তার উৎস খোঁজে ।
