শিশুর স্বভাব

শিশুর স্বভাব – নিয়ে আজকের আলোচনা। শিশুর স্বভাব বিষয়টি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক একটি গুরুত্বপুর্ন পাঠ।

 

শিশুর স্বভাব

 

শিশুর স্বভাব | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা 

 

শিশু  ভূমিষ্ঠকালীন ব্যক্তির প্রাথমিক রূপ। যে এখনও যৌবনপ্রাপ্ত হয় নাই কিংবা বয়ঃসন্ধিক্ষণে প্রবেশ করেনি সে শিশু হিসেবে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রে চিহ্নিত হয়ে আছে। সচরাচর যে ছেলে বা মেয়ের বয়স ১৮ বছরের নিচে অবস্থান করছে সে শিশু হিসেবে চিহ্নিত। কখনো কখনো অনাগত সন্তান অর্থাৎ যে সন্তান এখনো ভূমিষ্ঠ হয় নাই বা মায়ের গর্ভে অবস্থান করছে সেও শিশুরূপে পরিগণিত হয়ে থাকে। একজন ব্যক্তি তার পিতা-মাতার কাছে সবসময়ই সন্তান বা শিশু হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকেন। তবে, নির্দিষ্ট সময়, স্থান অথবা ঘটনার প্রেক্ষিতে শিশুসুলভ আচরণ বা ষাট বছরের শিশু শব্দগুচ্ছেরও প্রয়োগ হয়ে থাকে।

এটা নিশ্চয়ই আপনি জানেন, শারীরিক আর মানসিক একাকিত্বই হচ্ছে শিশুর কান্নার কারণ । নবজাতকের প্রধান শারীরিক কষ্ট হচ্ছে খিদে । সুতরাং খিদে পেলেই যদি নবজাতককে পেট ভরে খেতে দেওয়া যায়, তবে তার কাঁদবার কথা নয়, তবুও অনেক সময় কাঁদে । তার কারণ শিশুভেদে ভিন্ন হতে পারে ।

 

এক একজন শিশু একটুতেই কাঁদে । আবার কেউ কেউ খিদে এতটুকুও সহ্য করতে পারে না। ফলে খিদে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্না শুরু করে । মাঝরাতে খেতে দিলে ক্ষতি হবে, এ অজুহাতে শিশুকে না খাইয়ে কাঁদানোর কোনো যুক্তি নেই ।

 

শিশুর স্বভাব | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা 

 

কোনো শিশু স্বভাবেই একটু ছিঁচকাঁদুনে হয় । কোনো কারণ ছাড়াই দুধ খাওয়ার আগে কয়েক মুহূর্ত কেঁদে তবে খাওয়া শুরু করে। নবজাতকও একাকিত্ব পছন্দ করে না। সে সঙ্গ চায় । সেক্ষেত্রে কেবল খেতে দিলেই তার কান্না থামবে না । আপনি মা, আপনি একটু লক্ষ করলেই বুঝতে পারবেন তার কান্নার কারণ । কেবল খিদে লাগলেই শিশুরা কাঁদে না ।

Leave a Comment