শিশুর হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন

হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন – বিষয় নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক সিরিজের অংশ। খাওয়ার ইচ্ছা কম বা একেবারেই নেই, প্রস্রাবের রং হলুদ বা হলুদাভ, বমি বমি ভাব, পেটের ডানদিকের উপরিভাগে লিভারের জায়গায় ব্যথা, চোখের সাদা অংশের রং ক্রমশ হলুদ হওয়া ইত্যাদি রোগ -উপসর্গ বা লক্ষণ সাধারণত দেখা যায় হেপাটাইটিস নামক অসুখে ।

শিশুর হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

হেপাটাইটিস এ টিকা হল একটি টিকা যা হেপাটাইটিস এ প্রতিরোধ করে।  এটি প্রায় ৯৫% ক্ষেত্রে কার্যকর হয় এবং কমপক্ষে পনের বছর এবং সম্ভবত একজন মানুষের সারা জীবন ধরে স্থায়ী হয়। যদি দেওয়া হয়, তবে এক বছর বয়সের পরে শুরু করে দুটি ডোজের পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি একটি পেশীতে ইনজেকশন দ্বারা দেওয়া হয়।

 

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লুএইচও) এমন অঞ্চলগুলিতে সার্বজনীন টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেয় যেখানে রোগগুলি মাঝারি মাত্রায় সাধারণ। এই রোগটি যেখানে খুব সাধারণ, সেখানে ব্যাপকভাবে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না কারণ সমস্ত মানুষ সাধারণত শিশু বয়সে সংক্রমণের মাধ্যমে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

 

আর এই হেপাটাইটিস কথার অর্থ হলো লিভার বা যকৃতের প্রদাহ। চলতি কথায় এটিকে বলা হয় জন্ডিস যদিও জন্ডিস কোনো রোগ নয়, রোগের লক্ষণ মাত্র । এ রোগটি সাধারণত হয় হেপাটাইটিস-এ ভাইরাসের সংক্রমণে । তবে হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন দিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব ।

 

 

হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

 

হেপাটাইটিস-এ ভ্যাকসিন শিশুর এক বছর বয়স হতে দেওয়া যায় । দুটি ডোজ দিতে হয় । প্রথম ডোজটি দেওয়ার ৬ থেকে ১২ মাস পর দ্বিতীয় ডোজটি দিতে হয় । এক থেকে পনেরো বছর বয়স পর্যন্ত Child Dose এবং ১৫ বছর বয়সের পর Adult Dose |

Leave a Comment