শুতে যাওয়ার সময় শিশুর কান্না

শুতে যাওয়ার সময় শিশুর কান্না, অনেক শিশুই শুতে যাওয়ার সময় কাদে এবং যত ঘুমই আসুক একা বিছানায় রাখলে চিৎকার করে । এসময় কি করবেন তা নিয়ে আজকের আলোচনা।

শুতে যাওয়ার সময় শিশুর কান্না

 

শুতে যাওয়ার সময় শিশুর কান্না | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

আপনি যা করতে পারেন:

  • ওর শোয়ার সময়টাকে একটা আনন্দ মুহূর্ত করুন ।
  • গোসল আর ঘুমকে একটা খেলা খেলা’ পরিবেশে সব সময় করা উচিত ।
  • সন্ধ্যা থেকে ওর জন্য রাতে শোয়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। জোরাজুরি করার প্রয়োজন নেই । রাতের খাবার খাবে, ঘুমপাড়ানি গান শুনবে বা শুয়ে শুয়ে আপনার সঙ্গে হালকা খেলা খেলবে এবং আস্তে আস্তে ঘুমিয়ে পড়বে ।
  • একটু বড়ো হলে শিশু তার পছন্দের গান বা গল্প শুনতে চাইতে পারে । তাই শোনাবেন । প্রতিদিন হয়তো দেখবেন ও কী সুন্দর অভ্যাসবশে একটা গান বা গল্প আধাআধি শুনতে শুনতেই ঘুমিয়ে পড়বে অথবা গানটা বা গল্পটা বসে বসে মন দিয়ে শুনবে তারপরে একটা আপনাকে মিষ্টি হাসি উপহার দিয়ে নিজেই শুয়ে পড়বে ।
  • প্রতিদিন একই সময়ে একইভাবে ঘুমের ব্যবস্থা করবেন । কারণ চেনা পরিবেশ আনে নিশ্চয়তা— নিশ্চয়তা আনে স্বস্তি, আনে প্রশান্তি । এটা কোনো কারণেই নষ্ট হতে দেবেন না ।

দুই থেকে তিন বছর

আপনার শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নার কারণগুলো জটিল আকার নেয় । ওর চিন্তাভাবনাগুলো একটু সুবিন্যস্ত হয়, বাইরের জগৎটা বেশি দেখতে শেখে, বুঝতে শেখে, এ সময় বুঝতে চেষ্টা করে আপনার মনোভাব, মুখে না- বলা ভালোমন্দ ।

 

শুতে যাওয়ার সময় শিশুর কান্না | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

পরিবারে, বন্ধুবান্ধবের মাঝে এবং আরও বাইরের জগতে ওর সঠিক অবস্থানটা অনুধাবন করতে পারে। এতে ওর নতুন নতুন উদ্‌বেগের দুশ্চিন্তার উৎপত্তি হয় । এ সময় প্রতিমুহূর্তে নতুন কিছু দেখার মধ্যে ভয়ের উৎস খুঁজে পায় । এ সময়ে একই সময় যেমন ওর মধ্যে তৈরি হচ্ছে স্বকীয়তা, স্বনির্ভরতা, স্বাধীনতা, ঠিক একইসঙ্গে ওর মধ্যে বৃদ্ধি পায় লজ্জা, হতাশা, রাগ, ঈর্ষা, পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি। এসবের বেশিরভাগ সময়েই কেঁদে ফেলে ।

Leave a Comment