শিশু অন্ধকারে ভয় পাওয়া নিয়ে আজকের আলোচনা। ছোটোবেলায় অন্ধকারে ভয় আপনিও পেয়েছেন, আমিও পেয়েছি । এ সময়ে ভয় পেয়ে কেঁদে ওঠা মোটেই অস্বাভাবিক নয় । কখনো কখনো অনাগত সন্তান অর্থাৎ যে সন্তান এখনো ভূমিষ্ঠ হয় নাই বা মায়ের গর্ভে অবস্থান করছে সেও শিশুরূপে পরিগণিত হয়ে থাকে। একজন ব্যক্তি তার পিতা-মাতার কাছে সবসময়ই সন্তান বা শিশু হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকেন। তবে, নির্দিষ্ট সময়, স্থান অথবা ঘটনার প্রেক্ষিতে শিশুসুলভ আচরণ বা ষাট বছরের শিশু শব্দগুচ্ছেরও প্রয়োগ হয়ে থাকে। জীববিজ্ঞানের ভাষায় – মনুষ্য সন্তানের জন্ম এবং বয়ঃসন্ধির মধ্যবর্তী পর্যায়ের রূপ হচ্ছে শিশু।
শিশু অন্ধকারে ভয় পাওয়া

আপনাকে যা করতে হবে:
- শিশু অন্ধকারে ভয় পেলে তা দেখে কোনো সময়ই হাসাহাসি করবেন না বা অন্ধকারে খেলাচ্ছলে ওকে ভয় দেখাবেন না ।
- রাতে ঘুমের সময় একটা রঙিন নাইট ল্যাম্প লাগিয়ে দেবেন । এর জন্য বিশেষ কিছু আপনাকে করতে হবে না। কেবল বড়ো বাল্বটা পালটে একটা ‘জিরো’ পাওয়ারের বাল্ব লাগালেই চলবে ।
- সব সময় ওকে বোঝান, অন্ধকারে ভয় পাওয়ার কোনো কারণই নেই ।
- রাতে ওকে নিয়ে বাইরে যান । দিন ও রাতের পার্থক্য ওকে বোঝান । সূর্য দিনের বেলায় ওঠে, রাতে আকাশে চাঁদ দেখা যায়— সব সরল তথ্য ওকে শেখান । ওর প্রশ্ন যত বাজে মনে হোক না কেন যত্নের সঙ্গে এবং গুরুত্বসহকারে ওকে উত্তর দেন ।
- দিনের বেলায় পশুপাখি ও রাতে অন্য পশুপাখি সম্ভব হলে ওকে মজা করে দেখান ।
- গরমকালে বাগানে বা খোলা মাঠে রাতে একটা মোটা চাদর বা মাদুর ইত্যাদি পেতে কিছু সময় কাটালে শিশু ও আপনার যেমন মন ভালো লাগবে, সেইসঙ্গে অন্ধকারের ভয়ও অনেকটাই কেটে যাবে ।

