শিশুর পোশাক কেনা – বিষয় নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক সিরিজের অংশ। শিশুর পোশাকের গায়ে যে সাইজই লেখা থাকুক, আপনি আপনার শিশু যাতে কমপক্ষে দুমাস গায়ে দিলেও ছোটো হবে না, এমন সাইজের পোশাক কিনবেন, একটু ঢিলেঢালা হলে কোনো অসুবিধা হবে না ।
শিশুর পোশাক কেনা | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

১। এমন পোশাক কিনবেন যা সহজেই কাচা যায় এবং চট করে রং উঠে না। যায় ৷
২। দড়ি বাঁধাই হোক বা বোতাম লাগানোই হোক, এমন পোশাক কিনবেন যাতে ভেতরের ন্যাপি চট করে হাতে পেয়ে যান ।
৩। প্রথম প্রথম তলার দিকটা সম্পূর্ণ খোলা (রাত্রিবাস) পোশাক পরালে সুবিধাই হবে । জামাটা একটু তুললেই ন্যাপি হাতে পেয়ে যাবেন ।
৪। সামনের দিকে চেরা বড়ো গলার জামাই সুবিধাজনক ।
৫। সামনের দিকে খোলা জামা খুলতে বা পরাতে হলে ওকে উপুড় করতে হবে না ।
৬। পোশাকের কাপড় সব সময় নরম ও মোলায়েম হওয়া দরকার । বাহারি সেলাই দিয়ে কোনো জায়গা যেন মোটা এবং খরখরে না হয় । সাধারণ সুতির জামা, তোয়ালে-সুতি এবং উলের পোশাক কিনবেন । সিন্থেটিক পোশাক না কেনা ভালো ।
৭। কম্বল বা সোয়েটার ইত্যাদি যেন ঘন বুনোটের হয়, যাতে ওর সরু নরম আঙুল ফুটো দিয়ে ঢুকে দুর্ঘটনা না করে বসে ।
৮। একদম সাদা পোশাক না কেনাই ভালো। এতে চট করে নোংরা ধরে। রংচঙে পোশাক শিশুরা বেশি পছন্দ করে ।
৯। টুপি কিনলে অবশ্য ফিতে লাগানো কিনবেন, নইলে টেনে খুলে ফেলবে ।
১০। সাইজ যা-ই হোক না কেন একটু বড়ো গলার জামা কিনলে বেশিদিন ব্যবহার করা যায় ।
পোশাক কেনা নিয়ে কয়েকটি তথ্য
১। সব সময় ওর শরীরের মাপ ফিতে দিয়ে মেপে লিখে নিলে পোশাক কিনতে সুবিধা হবে । শরীর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মাপও পালটে নতুন করে নেবেন ।
২। বাইরের বাহারি পোশাক যেহেতু দামি হয়, তাই একটু বড়ো সাইজ কেনাই ভালো ।
৩। এ বয়সে ছেলেমেয়ের পোশাক আলাদা করবার দরকার নেই ।
৪। রংচঙে পোশাক শিশুরা পছন্দ করে ।
৫। চেইন লাগানো পোশাকে এ বয়সে অসুবিধা হয়। ইলাস্টিক দেওয়াই ভালো ।

৬। মোজা, পকেট ইত্যাদি এক ধরনের কিনলে পরানোর সময় ম্যাচিং করবার ঝামেলা থাকে না ।
৭। খুব আঁটোসাঁটো পোশাক কিনবেন না । ।
৮। সিন্থেটিক পোশাক ভালো না
