কীভাবে শিশুর খাবারের ব্র্যান্ড বদল করা যায়

কীভাবে শিশুর খাবারের ব্র্যান্ড বদল করা যায় – নিয়ে আজকের আলোচনা। শিশুর খাবারের ব্র্যান্ড বদল বিষয়টি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” বিষয়ক একটি গুরুত্বপুর্ন পাঠ।

কীভাবে ব্র্যান্ড বদল করা যায়

কীভাবে ব্র্যান্ড বদল করা যায় | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

গোরুর দুধের বদলে কৌটার দুধ অথবা কৌটার দুধের বদলে গোরুর দুধ অথবা এক ব্র্যান্ডের বদলে অন্য ব্র্যান্ডে যেতে হলে হঠাৎ করে যাওয়া যাবে না । শিশু দিনে যে কয়বার খায়, তার মধ্যে একবার করে নতুন দুধ দেওয়া শুরু করতে হবে । শিশু দিনে ৬ বার খেলে নতুন দুধ একবার ও পূর্বের দুধ ৫ বার— এভাবে দুই তিনদিন খাওয়াতে হবে। তারপর নতুন- দুধ দুবার ও পূর্বের দুধ ৪ বার । এভাবে দুই তিনদিন পরপর একবার করে নতুন দুধের মাত্রা বাড়িয়ে শিশুকে পূর্বের দুধের বদলে নতুন দুধ দেওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

তাই ব্র্যান্ড বদল করতে হলে এক কৌটা দুধ ঘরে থাকতেই আরেক কৌটা কিনে এনে মজুত করে রাখতে হবে । শিশু কোনো কারণে পাতলা দুধ খেলে, তা ঘন করার জন্যও একই নিয়ম মেনে চলতে হবে । অর্থাৎ এক চামচ করে দুই তিনদিন পরপর দুধের ঘনত্ব বাড়াতে হবে । অন্যথায় হঠাৎ করে দুধ ঘন করে ফেললে শিশুর পেট খারাপ হতে পারে ।

 

তবে প্রয়োজন না হলে ব্র্যান্ড বদল করা উচিত নয় । কোনো ব্র্যান্ডে শিশু অভ্যস্ত হয়ে পড়লে সেটাই ব্যবহার করতে হবে। ঘনঘন ব্র্যান্ড বদল করা শিশুর জন্য ক্ষতিকর । শিশুকে কখনো জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না । শিশুর নিয়মিত ওজন নেবেন । যদি তার ওজন ক্রমশ বাড়তে থাকে, তবে শিশু কম খেলেও তাতে ভয়ের কিছু নেই ।

 

কীভাবে ব্র্যান্ড বদল করা যায় | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

শিশুর দাঁত ওঠার পর তাকে শক্ত খাবার খাওয়াতে শুরু করুন। শিশুর দাঁত উঠে গেলে, সে খাবার দাঁত দিয়ে চিবোতে বা কামড়াতে ভালোবাসে । বড়োদের অনুকরণে বসতে চায়, নিজহাতে খেতে চায় । জামাকাপড় নষ্ট করে ফেলে। শিশু এভাবেই খায়, এভাবেই খাবে। কখনো-বা শিশুর বিশেষ কোনো প্লেট, গ্লাস বা চামচের ওপর নজর থাকে। এসবই শিশুমনের স্বাভাবিক চাহিদা। এগুলোকে প্রশ্রয় দিতে হবে। স্বাভাবিক দুষ্টুমি থেকে জোর করে দূরে সরিয়ে রাখবেন না । 

Leave a Comment