শিশুর জন্মের পর প্রথম দেড় বছর বয়সে

শিশুর জন্মের পর প্রথম দেড় বছর বয়সে – বিষটি নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” সিরিজের অংশ। বই বা অন্য কিছুর ছবি দেখে দুই একটা ছবির নাম বলতে পারে । নিজের শরীরের— নাক, চোখ, মুখ, কপাল, হাত, পা ইত্যাদি দেখাতে বললে শিশু দেখাতে পারে ।

জন্মের পর প্রথম দেড় বছর বয়সে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

জন্মের পর প্রথম দেড় বছর বয়সে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

জন্মের -পর কান্নার সঙ্গে সঙ্গেই বাতাস ফুসফুসে ঢোকে এবং সেখানে শরীরের রক্তে অক্সিজেন যুক্ত হয় । একইসঙ্গে রক্ত থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে চলে আসে । জন্মের -পরপরই কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস প্রবেশ না করলে শিশুর শরীরে ধীরে ধীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে । নবজাতকের গায়ের রং নীল বর্ণ ধারণ করে । তখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে শিশুর মারাত্মক পরিণতি হতে পারে ।

 

নবজাতকের প্রথম ভাষা বা ধ্বনি হলো ‘কান্না’ । কান্নার মাধ্যমেই সে সকলকে জানান দেয় তার আগমনবার্তা । আর কান্নার সঙ্গে সঙ্গে তার ফুসফুসে প্রথমবারের মতো বাতাস ঢোকে এবং ফুসফুস হয় সক্রিয় । মাতৃগর্ভে থাকাকালীন শিশুর ফুসফুস তৈরি হলেও তখন সেটি থাকে নিষ্ক্রিয় । কারণ মাতৃগর্ভে সন্তানের ফুসফুসে বাতাস ঢোকে না বা ঢুকতে পারে না ।

 

জন্মের পর প্রথম দেড় বছর বয়সে | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

জন্মের -পর নবজাতকের ত্বক সাধারণত লাল বা গোলাপি বর্ণের হয়ে থাকে । তবে কারো কারো ক্ষেত্রে লাল বর্ণের পরিবর্তে জায়গায় জায়গায় নীল বর্ণ দেখা যায় । এটা অনেক সময় প্রসবকালীন অবস্থা বা অন্য কোনো কারণে (যেমন— নবজাতকের গলায় যদি নাভির ২/৩টি প্যাচ থাকে) হয়ে থাকে এবং অল্প সময়ের মধ্যে তা মিলিয়ে যায় ।

Leave a Comment