শিশুর ক্রমবিকাশে বাবা-মায়ের করণীয়

শিশুর ক্রমবিকাশে বাবা-মায়ের করণীয় – বিষটি নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পঠটি “শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা” সিরিজের অংশ। শিশুর স্বাভাবিক ক্রমবিকাশে সহায়তা করার জন্য প্রত্যেক বাবা-মায়ের কিছু অনুশীলন জানা প্রয়োজন যা তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। তবে অনুশীলনের সময় শিশুর পোশাক হতে হবে খোলামেলা, সম্ভব হলে সুতির তৈরি । অনুশীলনের পর শিশু ঘেমে গেলে তখনই ফ্যানের বাতাসে নেওয়া

শিশুর ক্রমবিকাশে বাবা-মায়ের করণীয়  | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা

 

শিশুর ক্রমবিকাশে বাবা-মায়ের করণীয়  | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা 

 

সচরাচর যে ছেলে বা মেয়ের বয়স ১৮ বছরের নিচে অবস্থান করছে সে শিশু হিসেবে চিহ্নিত। কখনো কখনো অনাগত সন্তান অর্থাৎ যে সন্তান এখনো ভূমিষ্ঠ হয় নাই বা মায়ের গর্ভে অবস্থান করছে সেও শিশুরূপে পরিগণিত হয়ে থাকে। একজন ব্যক্তি তার পিতা-মাতার কাছে সবসময়ই সন্তান বা শিশু হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকেন। তবে, নির্দিষ্ট সময়, স্থান অথবা ঘটনার প্রেক্ষিতে শিশুসুলভ আচরণ বা ষাট বছরের শিশু শব্দগুচ্ছেরও প্রয়োগ হয়ে থাকে।

 

জীববিজ্ঞানের ভাষায় – মনুষ্য সন্তানের জন্ম এবং বয়ঃসন্ধির মধ্যবর্তী পর্যায়ের রূপ হচ্ছে শিশু। চিকিৎসাশাস্ত্রের সংজ্ঞানুযায়ী মায়ের মাতৃগর্ভে ভ্রুণ আকারে অ-ভূমিষ্ঠ সন্তানই শিশু। যাবে না অথবা গোসল করানো যাবে না। ঘাম মুছে কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরে শিশুর শরীর ঠান্ডা হলে গোসল করাতে হবে । 

 

শিশুর ক্রমবিকাশে বাবা-মায়ের করণীয়  | শিশুর প্রতিদিনের পরিচর্যা 

 

সুস্থ স্বাভাবিক নবজাতক প্রায় সারাদিনই ঘুমিয়ে থাকে । শুধু খাওয়ার সময় হয়তো একটু চোখ খুলতে পারে । অনেক সময় মায়ের দুধ চুষে খাওয়াটাই তার জন্য এত পরিশ্রমের কাজ হয়ে দাঁড়ায় যে, পুরো দুধ না খেয়েই সে ক্লান্ত হয়ে পড়ে । জন্মের পরই নবজাতকের প্রথম ভাষা বা ধ্বনি হলো ‘কান্না’ । কান্নার মাধ্যমেই সে সকলকে জানান দেয় তার আগমনবার্তা । আর কান্নার সঙ্গে সঙ্গে তার ফুসফুসে প্রথমবারের মতো বাতাস ঢোকে এবং ফুসফুস হয় সক্রিয় ।

Leave a Comment